Atheist in Bangladesh
নবীর নিজের হারাম কাজ হালাল করা

নবীর নিজের হারাম কাজ হালাল করা

যখন নবী নিজের হারাম কাজ হালাল করার জন্য নিজেরই বানানো আয়াত তারই তৈরী করা প্রতিচ্ছবি আল্লাহর বানী হিসেবে নাজিল করেন-
একদিন নবীর স্ত্রী হাফসা নবীকে তার দাসী মারিয়ার সাথে সঙ্গমরত অবস্থায় দেখে ফেললেন। ক্ষুব্ধ হাফসাকে শান্ত করার জন্য নবী হাফসাকে বললেন, শান্ত হও হাফসা, আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি আমি মারিয়াকে আমার জন্য হারাম করে নিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে কথা দাও এই বিষয়ে কাউকে বলতে পারবেনা। হাফসা ঐ মুহূর্তে কথা দিলেও পরবর্তীতে সে আয়িশার সাথে আলোচনা করলেন এবং নবীর বাকি স্ত্রীদেরকেও জানালেন। ফলে নবীর অন্দরমহলে তীব্র অসন্তোষ শুরু হলো। এই প্রথম নবীর স্ত্রীরা একজোট হয়ে নবীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন। তখন নবী রাগ করে প্রতিজ্ঞা করলেন যে তিনি একমাস তার স্ত্রীদের সাথে যেকোন প্রকার সাক্ষাৎ বন্ধ রাখবেন।
ঠিক ওইসময় নাজিল হলো সূরা আত-তাহরীমের নিম্নোক্ত আয়াতসমূহঃ
# হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করছেন আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্য তা নিজের জন্য হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়।
# আল্লাহ তোমাদের জন্য কসম থেকে অব্যাহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহ তোমাদের মালিক। তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
# তোমাদের অন্তর অন্যায়ের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে যদি তোমরা উভয়ে তওবা কর, তবে ভালো কথা। আর যদি নবীর বিরুদ্ধে একে অপরকে সাহায্য কর, তবে জেনে রেখ আল্লাহ জিব্রাঈল এবং সৎকর্মপরায়ন মুমিনগণ তার সহায়। উপরন্তু ফেরেশতাগণও তার সাহায্যকারী।
# যদি নবী তোমাদের সকলকে পরিত্যাগ করেন, তবে সম্ভবত তার পালনকর্তা তাকে পরিবর্তে দিবেন তোমাদের চাইতে উত্তম স্ত্রী, যারা হবে আজ্ঞাবহ, ঈমানদার, নামাযী তওবাকারিণী, এবাদতকারিণী, রোযাদার, অকুমারী ও কুমারী।
উপরোক্ত ঘটনা ও আয়াত সমূহ থেকেই বুঝা যায় এ যেন মোহাম্মদের নিজের মনেরই কথা এবং নারীদের প্রতি চরম অসম্মান। এবং এই ঘটনাই যুগ যুগ ধরে মুসলিম ভাইয়েরা নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করে আসছে।
Print Friendly, PDF & Email

আনিকা হক মল্লিক