Atheist in Bangladesh

কোরান নামের ভুয়া গ্রন্থের জনক মোহাম্মদের কামুক জীবন- প্রথম পর্ব

অনেক চিন্তা করে আমি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে আসলে কোরান একটা ভুয়া গ্রন্থ এবং এর লেখক জনাব মোহাম্মদ একজন পেডোফাইল ও বহু বিবাহকারী। কেন আমি এই সিদ্ধান্তে আসলাম এর অসংখ্য কারন রয়েছে এবং এই কারন আমি একটা একটা করে আপনাদের এখন বলব। তবে শুরুতেই বলে রাখা ভালো যে, আমার লেখা পড়ে যুক্তি থাকলে তর্ক করবেন। উলটা পালটা অবৈজ্ঞানিক তর্ক বা যুক্তি আমি গ্রহন করব না। এই আলোচনার শুরতেই মোহাম্মদের কয়টা স্ত্রী ছিলো তার একটা তালিকা আপনাদের দিয়ে নেই। উল্লেখ্য যে নিম্নের তথগুলো আমি উইকিপিডিয়া থেকে নিয়েছি।

খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ

তিনি ছিলেন মক্কার একজন ধনাঢ্য ও সম্ভ্রান্ত মহিলা। তার বয়স যখন ৪০, তখন ২৫ বৎসর বয়সী মুহাম্মদের সঙ্গে তার বিবাহ হয়েছিল। মুহাম্মদের সকল সন্তান তার গর্ভে জন্ম লাভ করে। তার জীবদ্দশায় মুহাম্মদ আর কোন বিয়ে করেন নি। তাকে মক্কার জান্নাতুল মুয়াল্লা নামীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সাওদা বিনতে যামআ

হিজরতের পূর্বেই (আনুমানিক ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে) খাদিজা এর মৃত্যুর বেশ কিছুদিন পরেই মুহাম্মাদ এর সাথে তার বিবাহ হয় ।

আয়িশা বিনতে আবু বকর

ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকরের কন্যা আয়িশা। তাকে উম্মুল মুমেনিন বলা হয়ে থাকে। ইসলামী শরিয়তের বৃহদংশ তার মাধ্যমে স্বীকৃত। তার গৃহেই হযরত মুহাম্মদের ওফাত হয়। তাকে জান্নাতুল বাক্বীতে দাফন করা হয়েছে।

হাফসা বিনতে উমর

তিনি ইসলামের ২য় খলিফা উমর এর কন্যা। হাফসার প্রথম স্বামী খুনাইস ইবনে হুজাইফা মারা গেলে উমর খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে প্রথমে আবু বকর এবং পরে উসমান কে বিবাহের প্রস্তাব দেন; কিন্তু তারা কেউ-ই রাজী হন না। পরে হিজরী ২য় বা ৩য় সালে মুহাম্মদ তাকে বিবাহ করেন। কথিত আছে, তিনি অত্যন্ত ইবাদত গুজার ছিলেন। রাতে অধিকাংশ সময় আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করতেন এবং বেশির ভাগ দিন রোজা রাখতেন।

ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি ৪১ অথবা ৪৫ হিজরিতে পরলোকগমন করেন।

যয়নাব বিনতে খুযাইমা

মুহাম্মাদ উনাকে হিজরতের একত্রিশ মাস পরে ৩য় হিজরীর রমজান মাসে বিবাহ করেন । মাত্র আটমাস তার বিবাহাধীনে থেকে বিয়ের পরবর্তী বৎসরেই ৪র্থ হিজরীর রবিউস সানি মাসে তার মৃত্যু হয়। শুধুমাত্র তিনি এবং খাদিজা এই দুজনই মুহাম্মাদ এর জীবদ্দশায় মারা যান। বিভিন্ন বর্ণনামতে, তিনি অত্যন্ত দানশীলা মহিলা ছিলেন। ইসলাম-পূর্ব যুগেও একারনে তাকে উন্মুল মাসাকীন (গরিবের মা) বলে ডাকা হতো।

উম্মে সালামা হিন্দ বিনতে আবী উমাইয়্যা

৪র্থ হিজরিতে তার প্রথম স্বামী আবু সালামা এক যুদ্ধে শদীদ হন। অত:পর, শাওয়াল মাসে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহ করেন। তিনি মুহাম্মাদের স্ত্রীদের মধ্যে সব শেষে (মতান্তরে ৫৯ বা ৬২ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন।

রায়হানা বিনত যায়েদ

রায়হানা বিনত যায়েদ ছিলেন বানু নাদির গোত্রের একজন ইহুদী নারী যিনি মুসলমানদের নিকট “উম্মুল মুমেনীন” (ইসলামের নবী মুহাম্মাদের স্ত্রী) হিসাবে সম্মাণিত।

যয়নাব বিনতে জাহশ

তিনি মুহাম্মাদ এর ফুফাত বোন ছিলেন। তার প্রথম বিবাহ তিনি নিজ পালক পুত্র জায়েদ ইবনে হারিছা এর সাথে করান। পরবর্তিতে দাম্পত্যে বোঝাপড়া না হওয়ায় যায়েদ তাকে ৫ম হিজরিতে তালাক দেন। অত:পর যিলক্বদ মাসে আল্লাহ তাআলা তার বিবাহ সুরা আহযাব এর এক আয়াতের মাধ্যমে মুহাম্মাদ এর সাথে ঘোষণা করেন। তিনি অত্যন্ত দানশীলা ছিলেন বলে খ্যতিমান ছিলেন। ২০ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ইবনে আবি যারার

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ছিলেন বনু মুস্তালিক গোত্রের সঙ্গে দাঙ্গার ফলে আটক হওয়া যুদ্ধবন্দী, যিনি উক্ত গোত্রের সর্দারের কন্যা ছিলেন। তার স্বামী, মুস্তফা বিন সাফওয়ান, উক্ত দাঙ্গায় নিহত হন। নিয়মানুযায়ী জুয়াইরিয়া প্রাথমিকভাবে সাহাবী সাবিত বিন কায়েস বিন আল শাম্মাসের গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) ভাগে পড়েন। বন্দী অবস্থাতেই, জুয়াইরিয়া মুহাম্মাদ এর কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন যে, গোত্রপ্রধানের কন্যা হিসেবে তাকে যেন মুক্তি দেয়া হয়, মুহাম্মাদ এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ইত্যবসরে, তার বাবা তাকে মুক্ত করতে মুহাম্মাদের কাছে মুক্তিপণ দেয়ার প্রস্তাব করলেন, কিন্তু মুহাম্মাদ উক্ত প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করলেন। এরপর মুহাম্মাদ জুয়াইরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন এবং জুয়াইরিয়াও রাজি হলেন। যখন সবাই জানতে পারল যে বনু মুস্তালিকের সাথে ইসলামের নবীর বৈবাহিক আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে, তখন মুসলিমগণ উক্ত গোত্রের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দিতে শুরু করলেন। এভাবে, জুয়াইরিয়ার সাথে মুহাম্মাদের বিয়ে ইতোপূর্বে তার দ্বারা বন্দী হওয়া প্রায় শত পরিবারের মুক্তির কারণ হয়ে উঠলো।

রামালাহ বিনতে আবী-সুফিয়ান

তিনি উম্মে হাবিবা নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের কন্যা ছিলেন এবং পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তিনি মুসলিম হন। আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। হিজরতের পর তার স্বামী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, অপরদিকে তিনি ইসলামে অনড় থেকে যান। হিজরতে থাকাকালীন সময়ে তার স্বামীর মৃত্যু হলে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহের প্রস্তাব পাঠান। মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের যুদ্ধ নিরসনকামী হুদায়বিয়ার চুক্তির পরপরই মুহাম্মাদ সমসাময়িক ইসলামের প্রতিপক্ষ ও কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের এই কন্যাকে বিবাহ করেন, যাতে করে মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের তৎকালীন শত্রুতা আরও কমে আসে।

সফিয়্যা বিনতে হুওয়াই

সাফিয়া বিনতে হুয়াই ছিলেন বনু নাদির গোত্রের প্রধান হুয়াই ইবনে আখতাবের কন্যা। খন্দকের যুদ্ধে তার পিতা নিহত হন। তার প্রথম স্বামীর নাম সাল্লাম ইবনে মিশকাম। তার কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে তিনি বনু নাদিরের সেনাপতি কেনানা ইবনে রাবিকে বিয়ে করেন। খায়বার যুদ্ধে বনু নাদির গোত্র পরাজিত হলে কেনানাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় এবং সাফিয়াকে যুদ্ধবন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মুহাম্মাদ তাকে তার মালিক দিহইয়ার কাছ থেকে মুক্ত করেন এবং তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সাফিয়া তার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। মারটিন লিংসের তথ্যমতে, মুহাম্মাদ তাকে দুটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, একটি হল বনু নাদিরে ফিরে যাওয়া আর অপরটি হল ইসলাম গ্রহণ করে মুহাম্মাদকে বিয়ে করা। সাফিয়া দ্বিতীয় প্রস্তাব গ্রহণ করে মুহাম্মাদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মাইমুনা বিনতে হারিছ ইবনে হাযন

তার আসল নাম ছিলো বাররা। মুহাম্মাদ তার নাম পরিবর্তন করে মায়মুনা রাখেন । হুদায়বিয়া চুক্তির সময়ে উক্ত মহিলা মুহাম্মাদকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং মুহাম্মাদ তা গ্রহণ করেন। চুক্তি শেষে তিনি মায়মুনাকে সাথে নিয়ে মদিনায় ফিরে যান।

মারিয়া আল-কিবতিয়া

মারিয়া আল-কিবতিয়া ছিলেন একজন মিশরীয় কপ্টিক খ্রিস্টান দাসী, যাকে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধিনস্ত মিশরীয় সম্রাট মুকাউকিস মুহাম্মাদের নিকট উপহার হিসাবে প্রদান করেন। মদিনায় ফেরার পথে মারিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তিনি ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ নামে মুহাম্মাদের একটি সন্তানের জন্ম দেন, যে কিনা শিশুকালেই মারা যায় এবং ইব্রাহিমকে জন্ম দেয়ার পর থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি দাসত্ব থেকে মুক্ত ছিলেন।  ইবনে কায়িম আল-যাওজিয়া সহ আরও বহু সূত্র দাবি করে যে, তিনি মুহাম্মাদের একজন উপপত্নী ছিলেন, অর্থাৎ তিনি মুহাম্মাদের কৃতদাসী ছিলেন কিন্তু স্ত্রী নয়। এর কারণ ইসলামী আইন মুসলিম পুরুষদেরকে দেনমোহর প্রদানকৃত বিবাহিত নিজ স্ত্রী এবং নিজ অধিকৃত দাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক করার অনুমতি দেয়ায় তিনি দাসী হয়েও মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য ছিলেন। ইবনে ইসহাক রচিত মুহাম্মাদের জীবনী হতে সম্পাদিত ইবনে হিশামের সংকলনে তাকে মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের তালিকায় উল্লেখ করা হয় নি।[

 

উপরে মোহাম্মদের এইসব বিয়ে নিয়ে আপনি ভাবতে যাবার আগে আসলে তার বৌভাগ্য নিয়ে খানিকটা হাসি-ই এসে যায়। একটা লোক বছরের পর বছর গাভীর মত বিয়ে করেই যাচ্ছে আর যাচ্ছে বিকারগ্রস্থের মত চক্ষু লজ্জার সবটুকু শেষ করে, এই যুগে তা ভাবা যায়?

আমরা যদি ধরেও নেই একজন ব্যাক্তি কতগুলো বিয়ে করবে কি করবে না এটা ব্যক্তির নিজস্ব ব্যাপার বা তার ব্যক্তিগত জীবনের অংশ তাতেও কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়। কেন থেকে যায়? কারন যে ব্যক্তি নিজেকে একটি ধর্মের প্রচারক ও গায়েবী ওহী নিয়ে চোথার মত বাজারে ছেড়ে দিয়েছে এবং কিছু হলেই আল্লাহর নাম দিয়ে কোরান নামের নিজের একটা আজগুবি বই নিয়ে হাজির হয় এবং সেখানে শান্তির কথা আছে বলে জাহির করে,। সেই লোকটি ব্যক্তি জীবনে কেমন চরিত্রের এটা আসলে জানাটাও জরুরী।

আমরা সব সময় এটা শুনে এসেছি যে মোহাম্মদ নানা কারনে বা নানা ঘটনার প্রেক্ষিতে মেয়েদের বিয়ে করেছে, তাদের বাঁচিয়েছে কিংবা যুদ্ধ বন্ধের জন্য বিয়ে করেছে বিভিন্ন গোত্রে বা শান্তির জন্য এগুলো ছিলো পলিসি মাত্র। এই যুক্তি এসে গেলে আমার মাথায় আরো কিছু প্রশ্ন এসে যায়। একজন জীবন সঙীকে মানুষ বিয়ে করে ভালোবেসে। যদি নিজ স্ত্রীকে বিয়ে করতে হয় দাঙ্গা থামাবার জন্য কিংবা দাসত্ব থেকে বাঁচাবার জন্য তখন কি আসলেই সেই নারীকে প্রাপ্য সম্মান দেয়া হয়ে বলে মনে করা যায়? আপনারাও ভেবে বলুন একটা কথা যে, ওহুদ বা বদর যুদ্ধের সময় বিভিন্ন নারীকে গনিমতের মাল হিসেবে ঘরে নিয়ে এসে বিয়ে না করে ফূর্তি করা কি শান্তির চিহ্ন বহন করে? নিজের স্ত্রী থাকার পরেও মোহাম্মদের দাসী ছিলো ৬ টা। যাদের সাথে মোহাম্মদ নিয়মিত যৌন্মিলন করত এবং এটাই ছিলো গনিমতের মাল হিসেবে প্রাপ্ত নারীর সম্মান যে মোহাম্মদের যৌনতা উপভোগের টুলস হিসেবে নিজেকে তৈরী রাখা? এটা সলে নারীদের প্রতি কেমন সম্মান?

 

তার বিয়ে পাগলামী এমন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিলো যে নিজের পালক পূত্রের স্ত্রীকে পর্যন্ত মুত্তা বিয়ে করে তার সাথে ঘইর সংসার শুরু করে দিয়েছিলো। এটি তো আসলে রীতিমত নোংরামি এবং সমাজের সকল ধারনা বহির্ভূত আচরন বলেই আমার মনে হয়। এটি ছাড়াও একটা গুরুত্বপূর্ন বিষয় নিয়ে আমি কাউকে প্রশ্ন উঠাতে দেখিনা। সেটা হচ্ছে, এই যে বিয়ে পাগল মোহাম্মদ এত বিয়ে করেছে তাহলে এই বিয়ে টিকেছে কতদিন বা কে কে মোহাম্মদের সাথে কতদিন ছিলো?

এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা দেখতে পাই এক একজন স্ত্রীর সাথে মোহাম্মদের ১ বছর, ৬ মাস, ২ বছর এরকম সময়ের মত সম্পর্ক ছিলো। শুধু প্রথম স্ত্রী’র মৃত্যুর পর মোহাম্মদ তার পরবর্তী বিয়ে শুরু করেন এবং তার পরের কাহিনী অত্যন্ত কদর্য এবং নোংরামি।

স্বয়ং আয়েশার বয়ানে আমরা জানতে পারি যে, (সূরা ৩৩, আয়াত ৫১), নবী অন্য স্ত্রীর ঘরে ঘুমাক এটা তার ছোট স্ত্রী আয়েশা অর্থ্যাৎ আবু বকরের মেয়ে মেনে নিতে পারতো না। তিনি প্রায়ি মোহাম্মদকে মানা করত এবং মোহাম্মদ এই বহু গমন প্রসারিত করবার জন্য একটা সূরা নাজিল করেন। যেখানে তিনি তার কাল্পনিক জিবরাইলকে হাজির করেন এবং বলেন,

 

(হে রাসূল!) আপনি আপনার স্ত্রীদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা দূরে রাখতে পারেন এবং যাকে ইচ্ছা কাছে রাখতে পারেন। আপনি যাকে দূরে রেখেছেন, তাকে (আবার) কামনা করলে তাতে আপনার কোন ভয় নেই। এতে অধিক সম্ভাবনা আছে যে, তাদের চক্ষু শীতল থাকবে; তারা দুঃখ পাবে না এবং আপনি যা দেন, তাতে তারা সকলেই সন্তুষ্ট থাকবে। তোমাদের অন্তরে যা আছে, আল্লাহ জানেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।” (৩৩:৫১)

 

মানে দাঁড়ালো, একজন মেয়ের ঘরে মোহাম্মদের যেতে ইচ্ছে করছিলো এবং আয়েশা তাতে বাঁধা দিয়েছিলো আর ঠিক সে সময় কামুক মোহাম্মদ জিবরাল হাজির করে ফেলে তার অন্য ঘরে যাওয়া কোরানের দোহাই দিয়ে হালাল করে ফেলেছিলো। প্রিয় পাঠক আপনাদের জন্য আমি কোরানের এই আয়াত দিয়ে যাচ্ছি রেফারেন্স হিসেবে, আপনি বা আপনারাই ভেবে বলুন আমার কোন কথাটা মিথ্যে বা বেঠিক।

 

দ্বিতীয় পর্ব আসছে—-

 

 

 

 

Print Friendly, PDF & Email

Umayed Hossain