Atheist in Bangladesh

বাংলাদেশে মাদ্রাসা ছাত্রীকে পুড়িয়ে মারলো মাদ্রাসার অধ্যক্ষ!

সেই ধর্ষক অধ্যক্ষের পক্ষে মিছিল করেছিলো ছাত্রলীগ! ইন্ধন যুগিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতারা! আওয়ামী লীগ,ছাত্রলীগের বিচারটা করবে কে? নাকি আওয়ামী লীগের নাম জড়িয়ে গেছে বলেই এবারও মাফ পেয়ে যাবে!

২৭ মার্চ অধ্যক্ষ সিরাজুদ্দৌলা যৌন হয়রানির মামলায় গ্রেপ্তার হলে ২৮ মার্চ তার মুক্তির দাবিতে মিছিল করেছিলো মাদ্রাসা ছাত্রলীগের সদস্যরা৷ সাধারন শিক্ষার্থীদেরকে হুমকি দিয়ে মিছিলে অংশ গ্রহণ করতে বাধ্য করেছিলো তারা।

ফেনীর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মামুন ও কাউন্সিলর মকসুদ আলমের ইন্ধনে কিছু শিক্ষার্থীকে দিয়ে সিরাজউদ্দৌলার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয় বলে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠপছে ৷ মিছিল শেষে সমাবেশে যৌন হয়রানির মামলাকে মিথ্যা বলে দাবি করে ছাত্রীর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হয়।

অধ্যক্ষের পক্ষে অবস্থার নেয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমীনের বিরুদ্ধেও৷ তিনি মাদ্রাসার গভর্নিং বডির ভাইস প্রেসিডেন্ট৷ তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার দায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকসুদের ওপর চাপিয়ে দেন।

নুসরাতকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এমনকি এখনো কলকাঠি নেড়ে যাচ্ছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা। এমনকি পুলিশের গাফিলতির পিছনেও আওয়ামী নেতাদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ও সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগ ছিল পুলিশের বিরুদ্ধেও। নিরাপত্তা দিতে না পারার ব্যর্থতাটা পুলিশেরই।

দুনিয়ায় যত জঘন্য, বিবেক বর্জিত কর্মকান্ডে কেন আওয়ামী লীগকেই থাকতে হবে। মাদার অব হিউম্যানিটি আমাদের শেখ হাসিনা আপা গত ৪৫ বছরেও ওনার বাপের হত্যার শোক ভুলতে পারেননি। আমরা কিভাবে আমাদের বোনের হত্যার ক্ষত ভুলবো।

৭১য়ের পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন,কোন ধর্ষিতা মেয়ের বাবার নামের জায়গায় আমার নাম লিখে দিও। অথচ সেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় একজন ধর্ষককে বাঁচাতে মিছিল করে তারই আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ।
#Justice_for_Nusrat

Print Friendly, PDF & Email

Jawad Hossain Nirjhor