Atheist in Bangladesh

ভন্ড নবী মোহাম্মদের নারী ভোগ-বিলাস

মহররম মাসের প্রথম তারিখটা চলে গেলো। এই নিয়ে শিয়া সম্প্রদায়ের হায় হোসেন হায় হোসেন মাতম দেখে আসলে এক ধরনের হাসিই পেলো। ইংল্যান্ডে আসার পর থেকে  আমি ধর্ম কর্ম নিয়ে খুব একটা মাথা কখনোই ঘামাই নি। আসলে দেশে থাকতে বাবা মা চাপ দিয়ে ধর্ম পালন করাতো, নামাজ রোজা করাতো যেটা ছিলো আমার চোখের বিষ। ইংল্যান্ডে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে যেই স্বাধীনতা পেয়েছি, যেভাবে ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করতে পেরেছি এমন করে বাংলাদেশে করবো এটা ভাবাই যায় না।

যাই হোক যা বলছিলাম। আমার ধর্ম নিয়ে যত পড়ালেখা ও ভাবনা সব কিছুকে একত্র করে দেখলে ইসলামের নবী মোহাম্মদকে আমার একজন ভন্ড লোক ছাড়া আর অন্য কিছুই মনে হয় না। এই ভন্ড লোকটি নাকি দুনিয়ার সব কিছু জেনে বসে ছিলো। মানে সবজান্তা শমশের। অথচ কারবালার ময়দানে ইয়াজীদ যে তার নাতি হোসেনের শরীর থেকে ধড় আলাদা করে ফেলবে এবং তার মুন্ডু দিয়ে খেলবে এই জিনিস তো নবী আর ভাবতে পারেন নাই। আসলে চাপাবাজী আর কতই বা করা যায়? একটা সময় বড় চাপাবাজেরও কালন্তি চলে আসে চাপাবাজি করতে করতে।

আসলে হোসেনের কথা-ই বা কি বলবে? তাকে ইহুদীরা যে বিষ মিশ্রিত ভেড়ার মাংশ খাইয়েছে, এটাও নবী বুঝতে পারেনি। আরাম করে বিষ মিশ্রিত ভেড়ার মাংশ খেয়ে একদিন অক্কা পেলো আর অক্কা পাওয়ার পর তার লাশ ফেলে দিয়ে বকর আর উমররা মারামারি করলো কে ইসলামের খলিফা হবে এটা নিয়ে। তিন দিন তিন রাত এই ভন্ড নবীর লাশ পড়ে থাকলো ঘরের এক কোনায়।

নবী নিজেই যুদ্ধের নামে কত মানুষ হত্যা করেছে এবং কত গনহত্যায় জড়িত ছিলো সেগুলো ইতিহাস ঘাটলেই জানতে পারা যায়। এই যে মুসলিমেরা উহুদ, বদর, ইত্যাদি যুদ্ধ নিয়ে এত গর্ব করে, এইসব গর্ব করার কি আছে? এইখানে তো শুধু রক্ত আর রক্তের স্রোত ছাড়া অন্য কিছুই আমি দেখিনা। এইসব যুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ‘গনিমতের মাল’ হিসেবে নবী নারীদের ধরে ধরে নিয়ে এসে তার দাসী বানাতো এবং যৌন সেবক বানিয়ে তার নোংরা মনমানসিকতার পরিচয় দিয়েছে। মানে দাঁড়ায় পরাজিত সৈনিকদের স্ত্রীদের তুলে নিয়ে এসে আএক আদিম উল্লাসে মেতে উঠতো নবী আর নবীর লোকজন।

লন্ডনের রাস্তায় কিছু শিয়া সম্প্রদায়ের লোকদের দেখলাম মাইক নিয়ে গলা ফাট্যে চেঁচাচ্ছে, পুরো রাস্তা দখল করে ফরেস্ট গেইট এলাকাটা দূষিত করে ফেলেছে। আরে ব্যাটা হোসেন মরেছে যুদ্ধ করতে গিয়ে, তোর সমস্যা কি? তুই মাতম করছিস কেন এই দুই হাজার বছর পরে এসে? এই লন্ডনের মত এমন উন্নত পশ্চিমা দেশে থেকে, আই ফোন আর আই প্যাডের সময়ে কিংবা যখন নাসা মঙ্গলে পাঠিয়েছে রোবট, সে সময় হোসেন নামে এক খুনীকে নিয়ে দুই হাজার পর লন্ডনের ব্যস্ত রাস্তা আটকিয়ে মাতম করার মধে যে মূর্খতা রয়েছে এরা সেটি কবে বুঝবে? এই পশ্চিমে এসেও কি মানুষ একটু শিক্ষিত হতে পারে না? আরে হাদিসের বই গুলি পড়লেই তো বুঝতে পারা যায় ইসলাম ধর্ম কতটা বর্বর আর নিষ্ঠুর।

নবীকে গাল দেয়ার অপরাধে না নবীকে নিয়ে কবিতা লেখার অপরাধে প্রেগন্যান্ট মহিলাকেও ছাড় দেয়নি নবীর সাহাবীরা। শুধু একটা কবিতা লিখেছে আবে রাফে নামে এক লোক নবীর বিরুদ্ধে। আর সেই সমালোচনা সহ্য করতে না পেরে সাহাবা আতিক নামের এক লোক সহ ৪ জনের স্লিপার সেল বানিয়ে মেরে ফেলেছিলো আবু রাফেকে। এতিম করে দেয়া হয়েছিলো তার সন্তান্দের। এই কি নবীর মহানুভবতা? এই কি নবীর ধৈর্য্য?

নবীর বিয়ে কয়টা এটা নিয়েও রয়েছে নানান হিসেব। কিন্তু এই কথা তো অস্বীকার করার উপায় নেই যে নবী একজন পেডোফাইল ছিলো। ৬ বছরের আয়েশা কে বিয়ে করতে পারে ৫৫ বছরের নবী। এটা কিভাবে করতে পারে একজন পেডোফাইল ছাড়া? এরপর আবার বিয়ের পর তার দাসী ছিলো ৬ থেকে ৭ টা। এদের বিয়ে ছাড়া ভোগ করত।

যাই হোক অনেক কথা বলে ফেললাম। আসলে ফরেস্ট গেইটে রাস্তা আটকিয়ে তাজিয়া মিছিল দেখে মেজাজ গেলো খারাপ হয়ে। সে কারনেই এত বড় লেখা লিখে ফেললাম। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তবে যদি আমার কথার বিরুদ্ধে কারো কোন কথা থাকে তবে দয়া করে যুক্তি দিয়ে বলুন। গালাগাল বা কটু কথা বলবেন না।

ধন্যবাদ সবাইকে।

Print Friendly, PDF & Email

Md Hasan Tawhid