Atheist in Bangladesh
মুসলিমদের চুলকানীটা একটু বেশি

মুসলিমদের চুলকানীটা একটু বেশি

বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের বিশেষ করে বাঙালী মুসলিমদের সবকিছুতেই চুলকানীটা একটু বেশি।
ঊনিশ থেকে বিশ হলেই আতে ঘাঁ লাগানোর জন্য এরা তৈরীই থাকে শুধুই ঢোলেতে বাড়ি পড়ার অপেক্ষা যেমনটা আমরা আগে স্কুল শেষে ছুটির ঘন্টার অপেক্ষা করতাম আরকি।
তো আসল প্রসঙ্গে আসি, মুসলিমরা আসলে অপেক্ষা করেইছিল কোন একজন শুধু ফ্রান্স বর্জনের কথা বলুক, So যেই শোনা সেই কাজ, সবাই ডঙ্কা বাজিয়ে ফ্রান্স বর্জন ফ্রান্স বর্জন শুরু করে দিলো যেমনটা তারা অতীতেও বহু করেছে এটা সেটা বর্জনের নামে। আমার এখনো মনে আছে বাংলাদেশে একবার মার্কিন পণ্য বর্জন করা হয়েছিল, তো বাঙালিরা কয়েকদিন খুব লম্ফ ঝম্ফ করে সেই লুকিয়ে লুকিয়ে মুদির দোকানে যেয়ে কোকাকোলা পেপসিই খুঁজতো।
আমাদের মুসলিমদের সমস্যা হচ্ছে আমরা এতটাই ধর্মান্ধ যে কোন ঘটনার আঁগপিছ কিছু বোঝার দরকার হয়না, কথায় কথায় বর্জন করুন বর্জন করুন এ যেন সকাল বেলার টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজ সাড়ার মত।
আরে ভাই ফ্রান্সে এই মুহুর্তে প্রায় ৬০ লাখ মুসলিম বসবাস করে তারা সবাইকি এখন ফ্রান্স ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামিক দেশগুলোতে চলে যাবে?? সেটাতো যাবেনা। কারন সবাই নিজের ভালো বুঝে।
এখন মুসলমান ভাইবোনেরা সবাই আমার উপর চড়াও হবেন বলবেন কি কইলি তুই নাস্তিক ফ্রান্স আমাদের প্রিয় নবীকে অবমাননা করেছে,
তো আপনাদের প্রিয় নবীর life history একটু পড়ে আসেন না ভাই তার শরীরতো খুন আর ধর্ষনের কালীমা লেপা।
আপনারা এদিকে ধর্মচর্চা দেখাতে যেয়ে একটা দেশ বর্জন করতে চান কই পূজা আর বড়দিনে তো ধর্ম যার যার উৎসব সবার বলে লাফাতে থাকেন তখন আবার সমস্যা হয়না, কারন ইসলামতো আবার সকল ধর্মকে শ্রদ্ধা জানায় শুধু তাদের ব্যাপারে কিছু কইলেই গর্দানটা আস্ত থাকেনা।
আমি মনে করি ফ্রান্স কোন কোন ভুল কাজই করছেনা। তার কারন একবিংশ শতাব্দীতে কোন সমাজ কোন রাষ্ট্র ধর্ম দ্বারা পরিচালিত হতে পারেনা, আর ইসলাম ধর্মের মত কট্টর একরোখা অশান্ত ধর্ম দিয়েতো আরও না।
মনে রাখবেন আমরা এখন প্রাচীন আরবে বসবাস করছিনা।
এখন মানুষ ধর্মীয় অনুশাসনের থেকে বেশি শান্তি চায়।
Print Friendly, PDF & Email

আনিকা হক মল্লিক